1. admin@dailybhorerbangladesh.com : admin : Shah Alam
বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন

দৌলতপুরে সরকারি জমি দখলমুক্ত করলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরুল হাসান

ষ্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২০ মে, ২০২২
  • ১০৯ ভিউ টাইম

দৌলতপুরে সরকারি জমি দখলমুক্ত করলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:ইমরুল হাসান।

ষ্টাফ রিপোর্টার :

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে সাড়ে সাত শতাংশ সরকারি খাসজমি দখলমুক্ত করেছেন উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো:ইমরুল হাসান ।

বৃহস্পতিবার ১৯ মে দুপুরে উপজেলা সংলগ্ন চকহরিচরণ মৌজার ১নং খাস খতিয়ানের নাল শ্রেণীর ১৬ নং দাগের ৬১শতাংশ জমির উপর ৭টি দোকান উঠিয়ে সুমন নামের একটি ছেলে জোরকরে ভোগদখল করায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। উদ্ধারকৃত এই জমিতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরের নির্মাণ কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন।অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য সরকারি কর্মকর্তাদের যৌথ সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ইমরুল হাসান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম‍্যাজেষ্টেট মো: রবিন মিয়া।

এবিষয়ে উচ্ছেদ হওয়া এক দোকান্দার আরশেদ আলী বলেন এই জমি সম্পূর্ণ সরকারি সম্পত্তি আমি এইচ এসসি পাশ করে চাকুরি না পেয়ে বাধ‍্য হয়ে সংসার চালাতে এই জমিতে প্রায় ২৫বছর যাবত আমি দোকান উঠিয়ে চা বিক্রি করে সংসার চালিয়েছি। জমিটি সরকারের প্রয়োজন হওয়ায় আমি নিজে দোকানটি ভেঙ্গে নিয়ে যাচ্ছি।তবে ২০০৩সাল থেকে আমি এই জমি নিয়ে সরকারের পক্ষে লড়েছি।

উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানাগেছে, চকহরিচরণ গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে সুমন ওরফে শাকিল দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর যাবৎ সরকারি খাসজমির উপর ৭টি দোকান ঘর নির্মাণ করে জোরপূর্বক ভাবে ভোগ দখল করে আসছিল। ইতোপূর্বে কোর্ট একতরফাভাবে স্থিতাবস্থা দিলে সরকার পক্ষের জবাব দাখিল ও আবেদনের প্রেক্ষিতে তা ভ্যাকেট হয়ে যায়। কিন্তু বাদীপক্ষ ১ নং খাস খতিয়ান ভুক্ত জমি নিজেদের দখলে রাখার জন্য মিথ্যা মামলা পরিচালনা করে আসছিল‌। জেলার দৌলতপুর কোর্টের মামলা নং ৪১৩/২০২১।

সুত্রে জানাগেছে, বাদীপক্ষে একই ব্যক্তি একই তফসিল নিয়ে ২০০৩ সালে মামলা করে এবং ২০০৬ সালের ১৯ জানুয়ারি আদালতের রায় সরকারের পক্ষে যায়। পরবর্তীতে বাদীপক্ষ ২০০৭ সালে আপিল মামলা দায়ের করলে ২০১৭ সালের ২০ জুলাই মামলাটি আবার নিম্ন আদালতে পাঠায় এবং বাদী পক্ষ নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ২০১৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মামলা প্রত্যাহার করে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে সারাদেশে ভুমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মানের কাজ করতে গিয়ে খাস জমির প্রয়োজন হলে। মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় সমগ্র উপজেলায় চিরুনী তল্লাশি চালিয়ে সরকারি খাসজমি উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে ।

সরকারি খাস জমি দখলে রাখা সুমন মিয়া জানান, কোর্টে মামলার কোন রায় হয়নি। তাছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপর আমার কোন ক্ষোভ বা অভিযোগ নেই।

এবিষয়ে চকমিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান বলেন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে সারাদেশে ভুমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মানের কাজ চলছে আমার ইউনিয়ন সদরে হওয়ায় ও জমির দাম বেশি হওয়ায় খাস জমির প্রয়োজন হয় বিধায় কাগজপএ গেটে এখানে পাওয়া যায় তবে এখানে ঘর গুলো নির্মান হলে আমার ইউনিয়নের বহু গৃহ ও বাড়ি ছাড়া পরিবার থাকতে পারবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ইমরুল হাসান জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরের কাজ করতে গিয়ে খাস জমির প্রয়োজন হলে জেলা প্রশাসক, মানিকগঞ্জ মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ: রবিন মিয়া, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই জমিগুলো উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এখন সময় পেলে উদ্ধারকৃত জমিগুলো মাপযোগ করেসীমানা নির্ধারণ করার পরে লাল পতাকা দিয়ে দখলের কাজ সম্পন্ন করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবোর

Categories